সব খবর সবার আগে।

রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা, উদ্বেগ প্রকাশ করে জগদীপ ধনখড়কে ফোন প্রধানমন্ত্রীর, টুইটারে ঝড় রাজ্যপালের

ভোট পরবর্তী হিংসায় গোটা বাংলা উত্তপ্ত। তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে গেরুয়া শিবির। একাধিক জায়গায় একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, খুনের খবর উঠে এসেছে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই। এবার এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন একের পর এক টুইট করতে থাকেন রাজ্যপাল। একটি টুইটে তিনি জানান, “প্রধানমন্ত্রী ফোন করেছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমি রাজ্যে চলা  হিংসা, ভাঙচুর, লুঠ, ও হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। পরিস্থিতি আবার ঠিক করতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের আরও কাজ করতে হবে”।

আরও পড়ুন- ভোট ফলাফল পরবর্তী হিংসার শিকার বিজেপি কর্মী-সমর্থক, প্রতিবাদে ধর্নায় গেরুয়া শিবির, ফের রাজ্যে নাড্ডা

ভোটের ফলাফলের দিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেসব শিকেয় তুলে রাজ্যে তুমুল অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক বিজেপি কর্মীর উপর তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। নানান বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই হিংসার খবর আসছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ছ’জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবী বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের।

এদিন রাজ্যপাল আরও একটি টুইট করে রাজ্য পুলিশকে এই ঘটনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারের অবশ্যই এই রাজ্যে চলা  হিংসা, ভাঙচুর, লুঠ, ও হত্যার ঘটনায় যে গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জাজনক, এসব বন্ধ করা দরকার। সারা বিশ্বের মানুষ বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ভোট পরবর্তী হিংসা শুধু বাংলাতেই কেন? গণতন্ত্রের এই অপমান কেন?”

অন্য একটি টুইটে জগদীপ ধনখড় লেখেন যে “ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আতঙ্কিত মানুষ নিজেকে বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আপদকালীন সাহায্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। দুষ্কৃতীরা হত্যা ও ধ্বংসলীলায় মেতেছে। এই ধরণের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি কোনওভাবেই সহ্য করা যাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলা হচ্ছে এই পরিস্থিতি ঠিক করার জন্য”।

You might also like
Comments
Loading...