সব খবর সবার আগে।

অভিষেককে আক্রমণ করায় কল্যাণকে পাল্টা তোপ কুণাল-অপরূপার, বাকবিতণ্ডা থামাতে বাধ্য হয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা পার্থর

বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে সাংবাদিক বৈঠক করতেই হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এর আগে দলের নেতাদের একে অপরকে তোপ দাগতে বারণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি। এরপরও সোশ্যাল মিডিয়ায় কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি অব্যাহত ছিল।

এই কারণে আজ, শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে বিবদমান নেতাদের পার্থ সাফ জানিয়ে দেন যে দলের ভাবমূর্তি যদি নষ্ট হয়, তাহলে নেতৃত্ব বরদাস্ত করবে না। পার্থ বলেন, “কর্মী-নেতাদের বিরুদ্ধে যে ভাবে প্রকাশ্যে একের পর এক মন্তব্য করা হচ্ছে, তাতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। কারও কোনও বক্তব্য থাকলে দলের মধ্যে বলুন”।

উল্লেখ্য, অভিষেকের ‘ব্যক্তিগত মত’ নিয়ে মন্তব্য করে তাঁকে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে কল্যাণকে পাল্টা তোপ দাগেন কুণাল ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার। দলীয় সূত্রে খবর, এরপরই দলের তরফে অপরূপাকে ফোন করে সতর্ক করা হয়।

এমনকি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিবদমান নেতাদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন বলেও জানা যায়। সেই সময় সাময়িক ভাবে কল্যাণ-কুণাল বাকবিতণ্ডা ঠাণ্ডা হয়েছিল ঠিকই কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট জারি থাকে।

এই ঘটনার পরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক তৃণমূল যুব নেতা নানান পোস্ট করতে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপর একপ্রকার বাধ্য হয়েই আজ, শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

দলের নেতাদের সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “মহাসচিব হিসাবে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেছি আমি। তার পরেও কেউ কেউ বিবৃতি দিয়ে চলেছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে, সমস্ত মন্তব্য, বিবৃতি এখনই বন্ধ করুন। আজই শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বৈঠকে ছিলাম। নির্দেশ না মানলে কঠোর পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে”।

You might also like
Comments
Loading...