সব খবর সবার আগে।

পুলিশ সুপারকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার খেসারত, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের পুলিশের

গতকাল, সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এদিন পুলিশ সুপারকে হুঁশিয়ারি দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শুভেন্দু-সহ বিজেপির ছয় নেতার বিরুদ্ধে প্রায় ডজনখানেক স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ।

করোনাকালে সরকারি নিয়ম না মেনে করে জমায়েত করা ও আরও নানান কারণে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এদিন তমলুক থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এই মামলা করেছে বলে খবর।

আরও পড়ুন- কাশ্মীরে বদলি হলে কোনও পিসিমণি, চটিমণি বাঁচাতে পারবে না, পুলিশ সুপারকে নজিরবিহীন আক্রমণ শুভেন্দুর

জানা গিয়েছে এই এফআইআরে শুভেন্দু ছাড়াও একাধিক বিজেপি বিধায়ক এবং নেতাদের নাম রয়েছে। রয়েছে ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা থেকে শুরু করে খেজুরির বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক, ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, এবং দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক অরূপ কান্তি দাসের নাম।

ভোটের ফলাফলের পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যে মামলা চাপানো, ভোট পরবর্তী হিংসা, ভুয়ো টিকাকরণ কাণ্ড এমন নানান অভিযোগ নিয়ে গতকাল, সোমবার তমলুক জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখায় একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক। তাদের নেতৃত্ব দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুভেন্দু পুলিশ সুপার অমরনাথকে কাশ্মীরে বদলি করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

এদিন শুভেন্দু বলেন, “এখানে একটা বাচ্চা ছেলে এসপি এসেছে। মিস্টার অমরনাথ কে। কী করছেন, প্রত্যেকদিন কাকে কাকে ডাকছেন, সব আমি জানি। আমি অনেক পুরনো খেলোয়াড়। আপনাদের শুধু বলে গেলাম, আপনি সেন্ট্রাল ক্যাডারের অফিসার। এমন কাজ করবেন না যাতে কাশ্মীরের অনন্তনাগে ডিউটি করতে হয়। প্রত্যেকটা ফোন, কল রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। আপনাদের হাতে যদি রাজ্যের সরকার থাকে তবে আমাদের কাছেও কেন্দ্রের সরকার আছে। নরেন্দ্র মোদী কাশ্মীরকে সিধে করেছেন।”

আরও পড়ুন- ‘মানুষ আমাকে পছন্দ করেছে এটা হজম হচ্ছে না কংগ্রেসের’, বিজেপি সাংসদদের বৈঠকে চাঁচাছোলা আক্রমণ মোদীর

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, শুভেন্দুর এমন বিস্ফোরক হুঁশিয়ারির জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবী, সরকারি কাজে বাধা, বেআইনি জমায়েত, করোনা কালে বিধি লঙ্ঘন, পুলিশের ফোনে আড়িপাতা, পুলিশকে হুমকি দেওয়ার কারণেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০টির বেশি ধারায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...