সব খবর সবার আগে।

শেষবেলাতেও রাজীবকে সেই কাঁদিয়েই ছাড়লেন মমতা! ক্যামেরার সামনে চোখের জলে ভাসলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী

“আড়াই বছর আগেই পদত্যাগ করব ভেবেছিলাম, কিন্তু সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আটকেছিলেন। এবার ভগ্নহৃদয় নিয়েই দল ছাড়লাম। গত একমাসে যা কিছু শুনেছি সেই কথাগুলো আমাকে আহত করেছে। এই কারণেই এই সিদ্ধান্ত”। মন্ত্রিসভা ছাড়ার কারণ হিসেবে এই ব্যাখ্যাই দিলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেগপ্লুত হয়ে পড়লেন রাজীব। চোখ ভিজে এল জলে। গলায় অভিমান ও ক্ষোভের সুর। এই মধ্যেই জানালেন যে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি গিয়ে ইস্তফা দিয়ে এসেছেন তিনি। এর সঙ্গে ইস্তফাপত্রের একটি কপি রাজ্যপালকেও জমা দিয়েছেন তিনি। ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে রাজীব বলেন, “আমাকে দীর্ঘদিন মন্ত্রী হিসেবে কাজ করতে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। কী কাজ করেছি তা মানুষ বিচার করবে। মুখ্যমন্ত্রীর অবদান আমার জীবনে অনস্বীকার্য”।

এদিন দলের সতীর্থদের উপরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজীব। জানান, শেষবেলায় অন্তত তিনি সৌজন্য আশা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও সতীর্থদের কাছে। এরপর ক্ষোভ উগড়ে তিনি বলেন যে আড়াই বছর আগে তাঁকে না জানিয়েই সেচমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে বনদপ্তরে দেওয়া হয়। এই কথা তিনি জানতে পারেন টেলিভিশনের খবর মারফৎ। দলের কেউ বা মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে এই খবর দেননি। এও জানান যে অনেকদিন ধরেই তাঁর মনে ক্ষোভ জমেছিল। একথা তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান বলে দাবী রাজীবের। কিন্তু এরপর আর সহ্য না করতে পেরে অনেক ক্ষোভে, যন্ত্রণাতেই পদত্যাগ করলেন তিনি। বলতে বলতেই প্রকাশ্যে কেঁদে ফেলেন রাজীব।

এদিন রাজীব আরও জানান, “কোনওদিন ভাবিনি এরকম একটা দিন আসবে। এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেব। কাউকে দুঃখ দিয়ে থাকলে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি”। এদিন ফেসবুকেও নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন রাজীব।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...