রাজ্য

WBCS নিয়োগেও দুর্নীতি! তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও বিডিও, রাজ্যের বেকার যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করছে মমতা সরকার

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিতর্ক উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। এই মামলায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও রাজ্যের শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। দিন কয়েক আগেই নার্সিং-এর নিয়োগেও বেনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। আর এবার ফের এক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ উঠল।

অভিযোগ, ডব্লিউবিসিএস-তেও নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে। প্রশান্ত বর্মণ নামের একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এই প্রশান্ত বর্মণ বর্তমানে কালচিনির বিডিও পদে রয়েছেন, তাঁর সেই পদ বরখাস্ত করার দাবী উঠেছে। এই নিয়ে, আজ, বৃহস্পতিবার টালিগঞ্জ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও নানান অভিযোগ নিয়ে আজ সকাল থেকেই পিএসসি অফিসের সামনে শুরু হয় বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

দুর্নীতিমুক্ত মঞ্চের সদস্যদের তরফে টালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে দাবী তোলা হয়েছে যে প্রশান্ত কিশোরকে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। এতদিনের বেতন ফেরাতে হবে। এর আগে এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছিল বলে খবর। অভিযোগ, এই প্রশান্ত বর্মণের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি।

কিন্তু কেন এমন অভিযোগ?

চাকরিপ্রার্থীদের দাবী, প্রশান্ত কিশোর ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় সাদা খাতা জমা দিয়েছিলেন। প্রথম তালিকায় প্রথমে তাঁর নামও ছিল না। পরে ন্রুন তালিকায় তাঁর রোল নম্বর জুড়ে দেওয়া হয় এবং তিনি ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন।

এর পাশাপাশি আরও অভিযোগ যে সাড়ে তিন বছর পরও অনেক পরীক্ষারই মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়নি। আইসিডিএস, ক্লার্কশিপ পরীক্ষা, ফুড ইনস্পেক্টর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও এই একই অভিযোগ তোলা হয়েছে। আইসিডিএস পরীক্ষার ফলাফল রোল নম্বর-সহ প্রকাশের দাবী তোলা হয়েছে। এই সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দেন পিএসসি-র চেয়ারম্যান।

Related Articles

Back to top button