রাজ্য

গররাজী! জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দলে নেওয়ার বিরোধিতায় বাবুলের পর সরব একাধিক বিজেপি নেতা

নিজের দলের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ আনেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এরপরই দল থেকে ইস্তফা দেন তিনি। মনে করা হয়, তিনি তৃণমূল ছেড়ে পদ্ম শিবিরেই ঢোকার চেষ্টা করবেন। তিনি এখানেই ঘোর বিপত্তি। গতকালই তাঁর বিজেপি যোগদান করার বিরোধিতা জানিয়ে মুখ খুলেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। আজ, শুক্রবার বাবুলের পাশে দাঁড়ালেন বিজেপির একাধিক নেতা-নেত্রী।

গতকাল ফেসবুকে বাবুল সুপ্রিয় একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন যে, “জিতেন্দ্র তিওয়ারি বিজেপিতে যোগ দিলে তা মন থেকে মেনে নিতে পারব না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হাতেই”।

এরপর আজ সেই সুরে সুর মেলান বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানান, “উনি বাবুলদার ওপর দিনের পর দিন অত্যাচার করেছেন। তাঁকে কাজ করতে দেননি। আজ ভোটের চার মাস আগে ওনার উন্নয়নের কথা মনে পড়েছে? আসানসোলবাসী ওনাকে চায় না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের দলে যে কেউ আসতে পারে। কিন্তু কে কতটা দায়িত্ব পাবে সেটা তো নেতৃত্বের হাতে”।

বাবুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তাঁর দাবী , “বাবুলদাকে দিনের পর দিন কাজ করতে বাধা দিয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বাবুলদার বুকে ইট পর্যন্ত ছুঁড়ে মেরেছেন। ফলে তাঁর এই প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। এখন দলই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে”।

জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দলে নেওয়ার বিরোধিতায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুও। তিনি বলেন, “আসানসোলে আমরা নিজের ক্ষমতাতেই ২ বার জিতেছি। লোকসভা নির্বাচনে ওর জেলার সমস্ত বিধানসভায় আমরা এগিয়ে। ওর বিরুদ্ধেই মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন। ওকে দলে নেওয়া ঠিক হবে না”।

তবে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ও যে বাবুলের পাশেই তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, সবাইকে শুভেন্দু অধিকারী ভাবা উচিত নয়।

এদিকে, আজই আসানসোল থেকে কলকাতা এসেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। জানা গিয়েছে তিনি সাক্ষাৎ করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। এই বিষয়ে তাঁকে সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন, তাঁর মন খারাপ, তাই তিনি মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুধুমাত্র সৌজন্যতার খাতিরেই।

Related Articles

Back to top button