সব খবর সবার আগে।

উত্তরবঙ্গে অজানা জ্বরে শিশুমৃত্যু, দক্ষিণে জলযন্ত্রণা, দুই অস্ত্রে শান দিয়ে বৃহৎ আন্দোলনের পথে বিজেপি

একদিকে উত্তরবঙ্গে অজানা জ্বরে শিশুমৃত্যুর ঘটনা, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে জমা জলের কারণে মানুষের ভোগান্তি, এই দুইয়ের বিরুদ্ধেই এবার উত্তরবঙ্গ জুড়ে বৃহৎ আন্দোলনে নামতে চলেছে গেরুয়া শিবির। আজ, বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন বঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

এর পাশাপাশি এদিন ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়েও সরব হন শমীকবাবু। মগরাহাটে বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর গতকাল, বুধবার মারা যান। এই নিয়েও রাজ্যকে তোপ দাগেন বিজেপি নেতা। এরইসঙ্গে উত্তরের অজানা জ্বর, শহর কলকাতায় জমা জলের কারণে ভোগান্তি, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার আশঙ্কা, এসবই উঠে আসে তাঁর এদিনের বক্তব্যে।

আরও পড়ুন- ‘কলকাতায় জল যন্ত্রণার জন্য দায়ী বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তরাখণ্ড’, অদ্ভুত ব্যাখ্যা ফিরহাদ হাকিমের

আজ, বৃহস্পতিবার মুরলীধর সেন লেনে এক সাংবাদিক বৈঠক করে শমীক অভিযোগ এনে বলেন, “মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এতগুলি মানুষ প্রাণ হারালেন। কোথাও চার বছরের একটি ছেলে তার বাবা মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। মর্মান্তিক দৃশ্য। এই মৃত্যুর দায় কে নেবে? অতিবৃষ্টির কারণে এই সরকার কোনও ব্যবস্থা করতে পারেনি, কারণ পুরসভাগুলি কার্যত অকোজো হয়ে বসে আছে”।

এদিন বিজেপিরর তরফে প্রশ্ন তোলা হয় যে পশ্চিমবঙ্গে কলকাতা ও রাজ্যের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থাই কেন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে? গেরুয়া শিবিরের তরফে আর প্রশ্ন তোলা হয় যে শহর কলকাতার খাল হোক বা নিউটাউন, কোথাও কোনও নিকাশি ব্যবস্থা কেন নেই?

বিজেপির এদিনে এই সাংবাদিক সম্মেলনে উত্তরবঙ্গে অজানা জ্বরও ছিল অন্যতম ইস্যু। শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন যে স্বাস্থ্য দফতর তথ্য গোপন করছে। এই নিয়ে আগামীকাল থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃহৎ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শানান তিনি। কী কারণে শিশুরা মারা যাচ্ছে? এটা কী করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কারণ নাকি ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া? রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর এর কোনও উত্তর দিতে পারে নি।

আরও পড়ুন- বিজেপি প্রার্থী মানস সাহার মৃতদেহ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, পুলিশের সঙ্গে বচসা, ধস্তাধস্তি 

আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গ জুড়ে করোনা বিধিনিষেধ মেনেই এই আন্দোলন করবে বিজেপি, এমনটাই জানানো হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের আগাম হুঁশিয়ারিউত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি, এবং জনরোষ অভিভাবকদের ক্ষোভ যে জায়গায় পৌঁছেছে, যদি কোনও জায়গায় যদি বিক্ষোভ বাড়ে, বা জমায়েত বেশি হয়, সেই জন্য বিজেপি দায়ী থাকবে না

You might also like
Comments
Loading...