সব খবর সবার আগে।

অর্জুন-শুভেন্দু-সৌমিত্র তৃণমূল থেকে আসা ত্রয়ীর মাত্রাতিরিক্ত বক্তব্যে ক্ষুন্ন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব!

তিনজনই তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে এসেছেন। আর এসে থেকেই সব বিষয়ে অতিরিক্ত সরব তাঁরা।

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপর্যয়ের পর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বাংলার দায়িত্বে এসেছেন বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ। তার সামনে‌ই তিন নেতার অভিযোগ রাজ্যের নেতাদের দিয়ে কিছু হবে না। কেন্দ্র কেন‌ও কিছু করছে না? শুক্রবার বাংলার নেতাদের নিয়ে প্রথম বৈঠকে এমনই অভিযোগ শুনতে হল বাংলায় সদ্য-আগত তরুণ চুঘকে l

মাননীয়াকে পরাজিত করার উপহারস্বরূপ বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল নেতার পদ পেয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিন চুঘের সামনে অতিরিক্ত সরবদের অগ্রভাগে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

এই তিনজনই একসময় রমরমিয়ে তৃণমূল করতেন। পরে বিজেপিতে যোগদান। আর রাজ্য বিজেপিতে  এঁদের অতিরিক্ত প্রভাবে  আংশিকভাবে ক্ষুন্ন বিজেপির পূর্বাতন রাজ্য নেতারা। তবে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না কেউই। আর দলের অন্দরে  এইরকম গোলমালে বেশ বেকায়দায় পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

প্রসঙ্গত বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের মতো মসনদে বসার পর থেকেই জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীরা ‘আক্রান্ত’ বলে দাবি করে আসছে গেরুয়া শিবির। এর পরেই রাজ্য নেতাদের বিভিন্ন জেলায় পরিস্থিতি পরিদর্শনে পাঠান বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ। তিনি নিজেও তিনটি জেলায় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। শুক্রবার সব নেতাদের জেলা সফরের রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল‌। কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি-র দফতরে বৈঠকে তরুণ, দিলীপ ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। বিজেপি সূত্রে খবর, আজ সেই বৈঠকেই অনেকেই উপস্থিত না থাকলেও উপস্থিত ছিলেন এই ত্রয়ী। সেখানে নিজেদের এলাকার পরিস্থিতি জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হন শুভেন্দু, অর্জুন ও সৌমিত্র।

এই তিনজনের মধ্যে নাকি অতিরিক্ত সরব ছিলেন অর্জুন বলে দাবি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতা। নোয়াপাড়া ও জগদ্দলের তার পছন্দের প্রার্থী না দেওয়ায় ভোট বিপর্যয় হয়েছে বলে দাবি করেন অর্জুন। এমনকি তিনি এও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দরকার। রাজ্য নেতাদের কারও কিছু করার ক্ষমতা নেই। একই সঙ্গে অর্জুন অভিযোগ করেন, আক্রান্ত কর্মীরা ফোন করলে অনেক পরাজিত প্রার্থী কথাও বলছেন না। বিজেপি সূত্রের খবর, এতটা চড়াসুর না থাকলেও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দুর গলাতেও এদিন ছিল ক্ষোভ। শুক্রবারের বৈঠকে তিনিও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। অর্জুন শুভেন্দুর মতো একাধিক বিষয়ে নিজের অভিযোগ প্রকাশ করেন সৌমিত্র খাঁ‌ও বলে খবর।‌

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...