সব খবর সবার আগে।

করোনা মোকাবিলায় মালদায় পূর্ণ লকডাউন, সেই পথে এবার এই জেলাগুলোও

রাজ্যজুড়ে এখন করোনার প্রাদুর্ভাব দিন দিন মারাত্মক আকার নিচ্ছে। নিত্যদিন বেড়েই চলেছে সংক্রামিতের সংখ্যা। করোনায় সুস্থতার হার বেশ ভালোর দিকে থাকলেও লাগাম পড়ছে না সংক্রমণে। তাই কলকাতায় ১৮ টি কনটেইনমেন্ট জোনে কড়াকড়ি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার ৷

কলকাতায় গত দু সপ্তাহে সর্বাধিক অন্তত ১৮ টি জায়গায় ব্যাপক হারে ধরা পড়েছে সংক্রমন। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজরদারি শুরু করল কলকাতা পুরসভা৷ নজরদারিতে কলকাতা পুলিশও৷ আইসোলেশন এলাকাও বাড়ছে শহরে৷ কলকাতায় আইসোলেশন ইউনিট ১,৮৭২৷ অন্যদিকে সংক্রমণ মোকাবিলায় পুনরায় পূর্ণ লকডাউনের পথে হাঁটছে মালদহের দুটি পুরসভা৷

ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদহে এখন লকডাউন জারি রয়েছে। এছাড়া আরও ৪৯টি ওয়ার্ডে নতুন করে লকডাউনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে৷ এই সমস্ত জায়গায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়া বাকি সব দোকানে তালা ঝুলছে৷ মালদহের ৪৯টি ওয়ার্ডেই শুধুমাত্র বাস চলবে৷ এখনো অবধি সে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে৷ এমনকি মালদহ সদরের মহকুমা শাসক এবং হবিবপুর থানার ওসির শরীরে করোনা অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আরো এক জেলা শিলিগুড়িতেও করোনার প্রকোপ ভালোভাবে অব্যাহত রয়েছে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯ জন৷ অন্যদিকে দার্জিলিং সদর হাসপাতালেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এক চিকিৎসক৷ সব মিলিয়ে একদিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫১ জন ৷ পাশাপাশি শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় গত একদিনে মৃত ২৷ ৮ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল ফুলেশ্বরী বাজার ৷ এমনকি শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় করোনা সংক্রমণের জেরে বন্ধ রয়েছে ৯ টি বাজার৷

দক্ষিণবঙ্গের চিত্রটিও অনেকটা একই। উত্তর ২৪ পরগনাতে সংক্রমনের মোকাবিলায় সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবছে প্রশাসন ৷ গত দু’দিনে উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৮১ এবং ৪৮ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ৭৷ পরে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বন্ধ করা হবে চায়ের দোকান,হোটেল৷ শুধু খোলা থাকবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান ৷

এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনাতে বন্ধ হবে শপিং মলও৷ বিধাননগর,বারাকপুর ও বারাসাত মহকুমাতে ব্যাপক হারে সংক্রমন ধরা পড়েছে যা প্রশাসনের চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিধাননগর ও বারাকপুর মহকুমায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশী। বারাসাত জেলায় ইতিমধ্যে ৩ জন পুলিশ কর্মীও সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের রাজারহাটে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে চিকিৎসা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার রাত থেকে স্ট্যান্ড এ্যালোনে দোকান খোলা থাকবে। এছাড়া মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

You might also like
Leave a Comment