রাজ্য

‘আমিই এখন সভাপতি, এটা সকলকে মেনে নিতে হবে’, দম্ভ প্রকাশ করে বিদ্রোহী বিজেপি নেতাদের কড়া বার্তা সুকান্তর

শোকজ ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়ার পরও রাজ্য বিজেপির উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার ও রীতেশ তিওয়ারি। প্রশ্ন তুলেছিলেন যে জেলা কমিটি কেন গঠন করা হল না। এমনকি, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে আক্রমণও করেছিলেন তিনি।

এবার নাম না করেই পাল্টা আক্রমণ করলেন রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এখন আমি সভাপতি। সবাই বিজেপির অনুগামী। পতাকার অনুগামী। কিছু করার নেই। মেনে নিতে হবে এটা”।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এখন বিজেপির নজর ২০২৪-এর নির্বাচনের দিকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ভালোই ফল করেছিল। ৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পায় ১৮টি আসন।

এরপর নানান সাংসদ দলবদল করায় সেই সংখ্যা আরও বাড়ে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে যাতে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো যায়, এখন সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে বিজেপি। সবদিক দেখেশুনে  আগেই জেলা সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। পূর্ণ জেলা কমিটি নিয়ে আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে সামনে এসেছে কয়েকজন জেলা কমিটির সদস্যের নাম।

এই তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই ফের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে দলের অন্দরে। একাধিক নতুন মুখকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে। এর জেরে পুরনো কিছু নাম বাদ পড়েছে। এই নিয়েই শুরু অসন্তোষ। তবে জয়প্রকাশের ক্ষোভ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জেলা কমিটির নাম প্রকাশ নিয়ে বেশ জল্পনা শুরু হয়েছে।

বলে রাখি, গতকাল, মঙ্গলবার দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি সুকান্তকেও বিঁধেছিলেন জয়প্রকাশ। জেলা কমিটি ঘোষণা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিজেপি নেতা। এমনকি, তিনি এও বলেন যে নতুন যে নেতাদের জেলা কমিটিতে নেওয়া হয়েছে, তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য তেমন কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিজেপিত্রে নেই বলেন তোপ দাগেন তিনি।

এ বিষয়ে এবার সুকান্ত মজুমদার সাফ বলেন, “জেলা কমি়টির কোনও ডেডলাইন নেই। আর সময়ে তো বদল আনতেই হবে। সেই মতোই কমিটিতে কিছু হেরফের করা হয়েছে। তাও কোভিডের জন্য আমরা পিছিয়ে গিয়েছি। এর মধ্যে কোনও বার্তা দেওয়ার কিছু নেই”।

Related Articles

Back to top button