সব খবর সবার আগে।

প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিকের ফল, সর্বোচ্চ নম্বর ৪৯৯, পেল এক সংখ্যালঘু ছাত্রী

করোনা পরিস্থিতির কারণে মাধ্যমিকের মতো উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও হয়নি রাজ্যে। দু’দিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে মাধ্যমিকের ফল। এবার আজ, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিকের ফল।

মেধা তালিকা প্রকাশ করা না হলেও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস জানিয়েছেন যে সর্বোচ্চ নম্বর ৪৯৯ আর তা পেয়েছে মুর্শিদাবাদের এক সংখ্যালঘু ছাত্রী। এমন ঘটনা সংসদের ইতিহাসে নজিরবিহীন, এমনটাই বললেন মহুয়া দাস। জানা গিয়েছে, একাদশ শ্রেনীর বার্ষিক ও দ্বাদশ শ্রেণীর প্র্যাক্টিক্যালের নম্বরের ভিত্তিতে গড় করে উচ্চমাধ্যমিকের নম্বর দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মহুয়া দাসের অভিযোগ, অনেক স্কুল থেকেই সঠিক সময়ে একাদশ বা দ্বাদশের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার নম্বর পাঠানো হয়নি। তাঁর কথায়, নানান স্কুল থেকে পাঠানো ফলাফল এত বেশি ত্রুটিপূর্ণ যে তা মাত্রা ছাড়িয়েছে। তাই সেগুলিকে সংশোধন করতে বলা হয়েছে। তবে এও জানানো হয়েছে যে কোনও স্কুলের ফলাফল আটকানো হয়নি।

এও জানানো হয়েছে, যদি কোনও স্কুলে নম্বর নিয়ে কোনও অভিযোগ ওঠে, তাহলে পড়ুয়ারা ২০২০ সালের একাদশ শ্রেনির উত্তরপত্র নিয়ে ২৬শে জুলাই সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা আবেদন পত্র-সহ সংসদের আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। সংসদ সেই উত্তরপত্র খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।

এ বছর উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী ছিল ৮ লক্ষ ১৯ হাজার ২০২০ জন। এবারে পাশের হার ৯৭.৬৯ শতাংশ। ছেলেদের পাশের হার ৯৭.৭০ শতাংশ, মেয়েদেরও পাশের হার প্রায় সমান। প্রথম বিভাগে পাশ করেছে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৩২৭ জন, যা আগের বারের তুলনায় কিছুটা কম।

জানা গিয়েছে, এবছর কলা বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৭.৩৯ শতাংশ, বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৯.০৮ শতাংশ, বাণিজ্য বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৯.৮ শতাংশ। আবার উর্দু ভাষায় উত্তীর্ণ ৯৮.৪৭ শতাংশ, নেপালি ভাষায় উত্তীর্ণ ৯৭.৮১ শতাংশ, সাঁওতালি ভাষায় উত্তীর্ণ ৯৬.৭৪ শতাংশ। এবছর সংখ্যালঘুদের পাশের হার ৯৭.৪৬ শতাংশ, তফশিলীদের পাশের হার ৯৭.৩৩ শতাংশ।

You might also like
Comments
Loading...