সব খবর সবার আগে।

প্রকাশ‍্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! যুব তৃণমূলের মারে হাসপাতালে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি!

যত এগোচ্ছে ২১-এর বিধানসভা নির্বাচন তত‌ই প্রকাশ‍্যে আসছে শাসকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলার জেরে যুব তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হলেন ক্যানিং এর মাতলা ২ অঞ্চল সভাপতি বাদলকুমার হালদার। এই হামলায় অভিযোগের তীর এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান তথা যুব তৃণমূল নেতা উত্তম দাস ও তাঁর সহচরদের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় মারাত্মক জখম অবস্থায় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাদল হালদার। অভিযোগ উঠেছে, লকডাউনের জেরে কাজ হারানো মানুষদের ১০০ দিনের কাজের ফর্ম ফিল আপ করে দিচ্ছিলেন বাদলবাবু। এলাকাবাসীকে আমফানের ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দিতেও উদ্যোগী হয়েছিলেন তিনি।আর হয়ত সেই কারণেই এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান সহ যুব তৃণমূলের নেতারা তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুব তৃণমূল নেতৃত্ব।

তাঁদের সোজা দাবি, আমফানের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রামবাসীরা বাদলকে মারধর করেছে। পাল্টা বাদলের বিরুদ্ধে উপপ্রধান সনাতন হালদারের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি পরেশরাম দাস।

পরেশ দাবি করেছেন, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শৈবাল লাহিড়ির সাথে হাত মিলিয়ে বাদল এলাকায় দুর্নীতি করছে। সেই কারণেই গ্রামের মানুষ তাঁকে মারধর করেছে। ব্লক তৃণমূলের সভাপতিকে ‘চিটিংবাজ’ বলেও আখ্যা দেন পরেশ। যদিও যুব তৃণমূল সভাপতির অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Leave a Comment