রাজ্য

শোভনদেব থেকে উদয়ন, চার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদেরই জয়জয়কার, চার কেন্দ্রেই এগিয়ে ঘাসফুল শিবির

গত ৩০শে অক্টোবর ছিল চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আর আজ, মঙ্গলবার চার কেন্দ্রে ভোট গণনা। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালেট, তারপর ইভিএম গণনা। প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী, চার কেন্দ্রেই ঝোড়ো ব্যাটিং করছে তৃণমূলই। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র খড়দহ আসনেও এগিয়ে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি এগিয়ে ২৩ হাজার ৮১০ ভোটে।

তৃণমূলের জন্য খড়দহ কেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আসন থেকে লড়ছেন পরপর তিনবার ভোটে জেতা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। একুশের নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। কিন্তু উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকে লড়বেন বলে, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন শোভনদেব। খড়দহ কেন্দ্রে নিজেকে প্রমাণ করার লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি।

এরই সঙ্গে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও মুখ রক্ষার লড়াই। কারণ, তাঁর জন্যই শোভনদেবকে নিজের জেতা আসন ছেড়ে লড়তে হয়েছে এই খড়দহ কেন্দ্রে। দলনেত্রীকে জেতাতে শোভনদেবের এই ‘ত্যাগ’ নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষও হজম করেছেন তিনি। এই কারণে শোভনদেব এই আসনে জিততে না পারলে, এর জন্য যে পরোক্ষভাবে তৃণমূল সুপ্রিমোকেই দোষী ঠাওরানো হবে, তা বেশ স্পষ্ট। যদিও মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাওয়া বইছে শোভনদেবের দিকে।

এদিকে এই প্রসঙ্গে বিজেপির প্রার্থী জয় সাহা বলেন, “ভোটের দিনই আমাদের নৈতিক জয় হয়ে গিয়েছে। কী ভাবে পশ্চিমবাংলায় ভোট হয় তা মানুষের কাছে তুলে ধরতে পেরেছিলাম। চুরি করে লুঠ করে বুথ দখল করে উনি জয়ী হয়ে এসে খড়দহের মানুষের কতটা কল্যাণ করবেন সেটা এখন থেকেই বোঝা যাচ্ছে। খড়দহের উন্নয়নের জন্য আমরা আমাদের লড়াই জারি রাখব। কাজ করে যাব। তবে ফলাফল নিয়ে আমরা ভাবি না। মানুষের জন্য কাজ করব”।

প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী, গোসাবা, দিনহাটা, শান্তিপুরেও বিরোধীরা অনেকটাই পিছিয়ে। গোসাবায় ১৩ রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূলের সুব্রত মণ্ডল এগিয়ে ১১৭০৩৬ ভোটে। অন্যদিকে, দিনহাটায় ১১ রাউন্ড গণনা শেষে ৯১০৬৪ ভোটে এগিয়ে তৃণমূলের উদয়ন গুহ। চার রাউন্ড শেষে শান্তিপুরে ১২৯৮১ ভোটে এগিয়ে সেই তৃণমূল প্রার্থীই।

Related Articles

Back to top button