সব খবর সবার আগে।

আবারও ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা! ঘূর্ণিঝড়ের ত্রাণ পাইয়ে দেওয়ার নামে গৃহবধূকে ‘ধর্ষণ’! গ্রেফতার অভিযুক্ত!

তৃণমূলের নিচুতলার কার্যকলাপে কার্যত বিপাকে তৃণমূল নেতৃত্ব । ধর্ষণ আর্থিক দুর্নীতি বিভিন্ন মারাত্মক অভিযোগে বিদ্ধ টিম তৃণমূল। বাগনান কান্ডের রেশ মিটতে না মিটতেই এবার আমফানের ত্রাণ পাইয়ে দেওয়ার অছিলায় গৃহবধৃ ধর্ষণের অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতকে দু’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির সিঙ্গুরে। ঠিক কী ঘটেছে গৃহবধূর সঙ্গে? সিঙ্গুরের দিয়ারা এলাকায় থাকেন নির্যাতিতা ওই গহবধূ। তাঁর স্বামী সামান্য দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। একটি চালাঘরে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন স্বামী ও স্ত্রী। নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, আমফানের তাণ্ডবে উড়ে যায় ঘরের চালা। ত্রিপলের জন্য স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দ্বারস্থ হন তিনি। এরপর ত্রিপল পাইয়ে দেওয়ার অজুহাতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রমেশ কোলে নির্যাতিতার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করে বলে অভিযোগ।

নির্যাতিতার দাবি, একদিন দুপুরে স্বামী যখন ব্লক অফিসে ত্রিপল আনতে গিয়েছিলেন, তখন ঘুরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করেছে রমেশ। শুধু তাই নয়, পুলিশে অভিযোগে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় সে। ফলে ভয় আর থানায় যাননি নির্যাতিতা। তাহলে এতদিন পরে কেন‌ও এফআইআর করলেন? অভিযোগকারিনীর বক্তব্য, ইদানিং পাড়ায় তাঁর নামে কুৎসা রটাচ্ছিল ওই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা।

এরপরই পুলিশের অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্বামীকে সঙ্গে সোমবার সকালে যান সিঙ্গুরে বিজেপির অফিসে। ঘটনাটি জানাজানি হতে শোরগোল পড়ে যায়। কলকাতা থেকে সিঙ্গুরে চলে আসেন বিজেপি মহিলার মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্র পাল। তিনিই নির্যাতিতাকে সঙ্গে করে নিয়ে যান সিঙ্গুর থানায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে দাবিতে থানায় পথ অবরোধও চলে কিছুক্ষণ।

অবশেষে ধরা পড়ল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রমেশ কোলে। মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে সিঙ্গুর থানার পুলিশ। ধৃতকে যখন চন্দননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয়, তখন দলের স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বেবী সিং তিওয়ারির নেতৃত্বে বিক্ষোভে দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Leave a Comment