সব খবর সবার আগে।

‘বাবুলের সঙ্গে কথা হয়েছে’, দাবী সৌগতর, এবার কী তবে পদ্ম থেকে জোড়াফুলে যাওয়ার পালা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

গত শনিবার বিকেলে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে বিদায়ের কথা জানান আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র। নানান অভিমানের কথা উঠে আসে তাঁর সেই পোস্টে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব হারানো, ভোটে হেরে যাওয়া, রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মতভেদ নানান কারণ কাজ করেছে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে। তবে তিনি এও জানিয়ে দেন যে তিনি তৃণমূল, কংগ্রেস বা সিপিএম অন্য কোনও দলে যোগ দিচ্ছেন না। আর কেউ তাঁকে ডাকেও নি।

কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবেই পরের দিকে তাঁর পোস্ট থেকে নির্দিষ্ট এই অংশটুকু মুছে দেন। এরপর রাতের দিকে অবশ্য জুড়ে দেন যে, “আমি সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি, এই লাইনটা জুড়তে গিয়ে অরিজিনাল লেখাটা থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ লাইন মুছে গিয়েছিল….এটাও স্পষ্ট করে দিতে চাই যে আমি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে জয়েনও করছি না”।

তাঁর এই কথা থেকেই এবার নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তবে কী কোনও দ্বিধা কাজ করছে বাবুলের মনে। পদ্মফুল থেকে জোড়া ফুলে যাওয়ার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কী তিনি? এমন নানান মন্তব্য উঠে আসছে বাংলার রাজনীতিতে।

আরও পড়ুন- হতে চলেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সভাপতি নির্বাচিত হলেন নরেন্দ্র মোদী

এরপরই রবিবার তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের এক মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। তিনি বলেন, “বাবুলের সঙ্গে গতকাল আমার কথা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে ও হেরে গিয়েছে বলে মন্ত্রিসভা থেকে ওকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবুলের সঙ্গে যা হয়েছে তা অন্যায়”।

তিনি আরও বলেন, “দলের ভেতর দিলীপ ঘোষের সঙ্গে ওর সমস্যা ছিল। দল ওর সঙ্গে সুবিচার করেনি। ও তো রাজনীতির লোক নয়। আমরা যেমন জেতার মধ্যে দিয়ে রাজনীতি ধরে রাখি। ওর সেই স্ট্যামিনা নেই। আমি ওকে বলেছিলাম রাজনীতি না ছাড়তে। আমার মনে হচ্ছে না বাবুলকে আর ধরে রাখা যাবে। তবে কেউ দলে যোগ দেবেন কি না বা তাঁকে দলে নেওয়া হবে কি না তা তৃণমূল সুপ্রিমো ঠিক করবেন”। এবার তাই স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে যে বাবুল যা ‘আলবিদা’ জানিয়েছিলেন, তা কী কেবল গেরুয়া শিবিরের জন্যই ছিল?

You might also like
Comments
Loading...