সব খবর সবার আগে।

গরলগাছায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ! মুখ রক্ষা করতে পঞ্চায়েত প্রধানকে বহিস্কার তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচনের আর হয়ত এক বছরও বাকি নেই। লড়াইয়ের ময়দানে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছে বিজেপি ও তৃণমূল দুই পক্ষই। এই সময় একটা ভুল পদক্ষেপ ক্ষতি করতে পারে অনেকটাই একথা বিলক্ষণ জানে দুই দল। কিন্তু তৃণমূলের কিছু নেতা-নেত্রীদের সেকথা বোঝাবে কে? তারা আর্থিক দুর্নীতি করতেই ব্যস্ত! কিছুদিন আগে ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল হুগলির গরলগাছা পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে ও রাজনৈতিক মহলেও এনিয়ে চলেছিল আলোচনা। এবার নিজেদের মুখ রক্ষা করতে সেই পঞ্চায়েত প্রধান মনোজ সিংকে দল থেকে বহিষ্কার করল তৃণমূল। এই নির্দেশ দিয়েছেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

মনোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি নিজের স্ত্রীর নামে ২০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছেন। গরলগাছায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা টাকা না পেলেও টাকা পেয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রী। তাঁর পাকা বাড়ির কোনও ক্ষতি না হলেও ধূপকাঠি তৈরির কারখানা নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনই দাবি করেছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান।

তাছাড়া ওই পঞ্চায়েত প্রধান যে ১০২ জনের তালিকা দিয়েছিলেন তার মধ্যে ৯১ জন ভুয়ো জানা গিয়েছে। এলাকার বিডিও বিষয়টি ধরতে পারেন। এদিকে ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়ে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রী সহ ১৭ জন। মনোজকে চেপে ধরতেই তিনি অজুহাত দেন যে তাড়াহুড়োতে হয়তো কোথাও তার ভুল হয়ে গিয়েছিল।

এদিকে অভিযোগ পেতেই শুক্রবার তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি দিলীপ সিংকে ডাকেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যাবতীয় নথি নিয়ে দলের মহাসচিবের কাছে যান তিনি। নথি খতিয়ে দেখে মনোজ সিংকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন পার্থ। ওদিকে এই খবর পাওয়ার পর জেলা বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে “ভুল করে তালিকায় কয়েকজন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের নাম ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এমন দুর্নীতি প্রত্যেক পঞ্চায়েতে হয়েছে। বাকিদের কী হবে?”

You might also like
Leave a Comment