সব খবর সবার আগে।

ভার্চুয়াল শহিদ দিবসে উপস্থিতি চাই অন্তত ৫০ লক্ষের, কড়া নির্দেশিকা জারি করল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব Copy Copy

হোক না ভার্চুয়াল সভা, কিন্তু তা বলে কোনওরকম ঢিলেমি দিলে চলবে না। এখানে আরও বড় করে শক্তি প্রদর্শন করতে উদ্যোগী তৃণমূল। এবার শুধু এই রাজ্যেই নয়, অন্যান্য আরও রাজ্যেও ২১হে জুলাই শহিদ দিবসের দিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা দেখানো হতে চলেছে।

তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২১শে জুলাই হচ্ছে সমাবেশ। ফলে তা যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বছরও করোনাভাইরাসের জেরে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই পালিত হবে শহিদ দিবস। তবে এতে বেশ রেকর্ড সংখ্যক তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি চাইছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

এই ভার্চুয়াল শহিদ সমাবেশে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি চায় তৃণমূল। আর এই জন্য ইতিমধ্যেই নানান নির্দেশ জারি করা হয়েছে দলের নানান ক্ষেত্রে।

আরও পড়ুন- লাগামছাড়া পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মোদীকে তোপ, সাইকেলে চড়েই সংসদে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদরা

দলের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে প্রত্যেক বুথে থাকবেন ৫০ জন করে তৃণমূল কর্মী। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ২১শে জুলাই সকাল ১০টায় সকলকে হাজির হতে হবে বুথে। এরপর শহিদ বেদীতে হবে পতাকা উত্তোলন, শ্রদ্ধা জানানো হবে ১৯৯৩ সালে প্রয়াত শহিদদের।

এরপর ফের দুপুর ২টোয় সকল কর্মীকে আসতে হবে বুথে। সেখানে টিভি বা জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেদিনের বক্তৃতা সকলকে শুনতে হবে।

জানা গিয়েছে, কালীঘাটে নিজের দফতর থেকেই বক্তৃতা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। বুথে বুথে শহিদ দিবস পালন ও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা সকলকে শোনানোর দায়িত্ব বর্তেছে বিধায়কদের উপর। নানান বুথ স্তরে এই দলীয় কর্মসূচীর ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেছেন বিধায়করা। আর যে সমস্ত জায়গায় তৃণমূলের বিধায়ক নেই, সেখানে এই দায়িত্ব পালন করবেন বুথ সভাপতি বা ব্লক সভাপতি। এই নির্দেশের উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যেই নানান প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর।

বলে রাখি, আগে বুথের সংখ্যা ছিল ৭৮,৯০৩। তবে এবার করোনাভাইরাসের জেরে বুথের সংখ্যা ৩০ শতাংশ বেড়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৭৯০-তে।‌ আর এই সমস্ত বুথেই কর্মসূচি পালন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- প্রকাশ্য জনবহুল রাস্তায় দুই তরুণীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তকে বেধড়ক মার ক্ষিপ্ত জনতার, গ্রেফতার

অঙ্ক বলছে, এক লক্ষের বেশি বুথে যদি ৫০ জন করে কর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়, তাহলেই সহজেই ৫০ লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে। গত দু’‌বছর ধরে ধর্মতলায় শহিদ সমাবেশ হচ্ছে না। শেষ ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সমাবেশ আয়োজিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেখানে রীতিমতো জনপ্লাবন হত। এবার সেটাই ভার্চুয়ালি তুলে ধরতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

You might also like
Comments
Loading...