সব খবর সবার আগে।

Exclusive: তিন মাসের লড়াই নয়, ২০১৬ সালেই ৬ বিধায়ক সহ ত্রিপুরাতে প্রধান বিরোধী দল ছিল তৃণমূল! জানুন আসল তথ্য

গতকাল ত্রিপুরার পুরসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। যেখানে ৯৮.৫০ শতাংশ আসনে বিরোধীদের কার্যত ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়ে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তবে তৃণমূল দাবি করেছে যে তারা মাত্র তিন মাস লড়াই করে ত্রিপুরাতে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে যা আমাদের তথ্য অনুযায়ী সর্বৈব মিথ্যা।

এর আগে আমরা প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছি যে, ত্রিপুরা পুরভোটের নিরিখে তৃণমূল সব মিলিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে, বামফ্রন্ট ১৯.৬৫ শতাংশ ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে ত্রিপুরা পুরভোটে। আমাদের এই প্রতিবেদনে আপনারা জানতে পারবেন তৃণমূল মাত্র তিন মাসের লড়াইতে ত্রিপুরাতে তৃতীয় হয়নি। বস্তুত তৃণমূল কংগ্রেসের অস্তিত্ব ত্রিপুরাতে পাঁচ বছর আগে থেকেই রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরাতে ক্ষমতা লাভ করে বামেরা। ৬০ বিধায়কের বিধানসভার মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বাম বিধায়ক এবং ১০ জন ছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক। এদের মধ্যে একজন কংগ্রেস বিধায়ক জিতেন সরকার নিজের বিধায়ক পদ থেকে পরবর্তীতে ইস্তফা দেন।

এরপর ২০১৬ সালের ৭ই জুন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের সাহায্যে তৎকালীন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন সহ আরও ৫ বিধায়ক জাতীয় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগদান করেন। এর ফলে ত্রিপুরাতে তৃণমূল কংগ্রেসের অস্তিত্ব ২০১৬ সাল থেকেই কিন্তু শুরু হয়ে যায়। ৬ কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগদানের ফলে কংগ্রেস বিধায়ক সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৩-এ। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস-এর বিধায়ক সংখ্যা ৬ থাকায় ত্রিপুরায় প্রধান বিরোধী দল হয়ে যায় তৃণমূল।

যদিও পরবর্তীকালে সুদীপ রায় বর্মন বিজেপিতে যোগদান করেন। কিন্তু বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস ২০১৬ সাল থেকেই ত্রিপুরাতে রয়েছে একথা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। অভিষেক ব্যানার্জি যে বারবার প্রেস কনফারেন্স করে দাবি করছিলেন ত্রিপুরাতে মাত্র তিন মাসের লড়াইয়ের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল সেই দাবি সর্বৈব মিথ্যা। পাঁচ বছর আগেই তৃণমূল কংগ্রেস-এ বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৬। অন্তত আমাদের অনুসন্ধানে এই তথ্যই উঠে এসেছে।

You might also like
Comments
Loading...