রাজ্য

‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতিতে কি সীলমোহর পড়বে আজ? প্রথম সাংগঠনিক বৈঠকের আগে তুঙ্গে জল্পনা

বিপুল ভোটে বিজেপিকে হারিয়ে বাংলার মসনদে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিপুল অঙ্কে জয়ের পর আজ মেগা বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূলের সমস্ত নির্বাচিত বিধায়ক, সেইসঙ্গে সাংসদ, ও জেলা সভাপতিদের।

এই বৈঠকে বেশ কিছু বড় মাপের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। জানা গেছে এই বৈঠকে ঠিক হতে পারে রাজ্যের মন্ত্রী ও সংগঠনের জেলা সভাপতিদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

সেই সঙ্গে জানা গেছে তৃণমূলের সংগঠনকে আরও জোরদার করতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার দলে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি চালু করতে চাইছেন। তিনি চাইছেন একজন ব্যক্তি একাধিক দায়িত্ব নয়, বরং একটা মাত্র দায়িত্বই সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে সামলান।

আরও পড়ুন- বিজেপির গ্রুপ থেকে প্রস্থান সৌমিত্রর, তৃণমূলে স্বাগত জানালেন সুজাতা! তবে কী এবার স্ত্রীয়ের হাতই ধরবেন সৌমিত্র? 

একাধিক দায়িত্ব যাঁরা পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক ব্যক্তি এক পদ নীতি যদি কার্যকর করতে হয় তাহলে, সেইক্ষেত্রে জ্যোতিপ্রিয়কে একটি পদ ছাড়তে হতে পারে। একই ভাবে সেচ মন্ত্রী ও পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র, রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী ও পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথকেও পদ ছাড়তে হতে পারে।

‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতিতে কি সীলমোহর পড়বে আজ? তাকিয়ে বাংলা।

প্রসঙ্গত, করোনার জেরে এমনিতেই এবার নতুন ভাবে তৃণমূলের বৈঠক হতে চলেছে। প্রথমে দুপুর দুটো থেকে তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক আছে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের শীর্ষনেতারা হাজির থাকবেন। তৃণমূলকে সাফল্যের চূড়ায় বসানো প্রশান্ত কিশোরও এই বৈঠক থাকবেন বলে খবর।

সেই বৈঠক শেষ হলে দুপুর তিনটে থেকে বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেখানে রাজ্যের সব জেলার সভাপতি, রাজ্যসভা-লোকসভার সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী, পুরসভার চেয়ারম্যানদের হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রাপ্ত খবর বলছে করোনা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে দূরবর্তী জেলার প্রতিনিধিদের সশরীরে হাজির থাকতে বারণ করেছে তৃণমূল। শুধু দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়ার প্রতিনিধিদের আসতে বলা হয়েছে। তবে যে সব এলাকা ঘূর্ণিঝড় যশ এলং ভরা কোটালের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিদের তৃণমূল ভবনে না আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button