বিনোদনরাজ্য

বাবা ছাড়া আমার কেউ নেই! চুঁচুড়া’র তিতলির কাতর আবেদনে সাড়া দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সাংসদ অভিনেতা দেব

একটা ছোট্ট মেয়ের হাত জোড় করে আবেদন। আর তাতেই অভিনেতা-সাংসদ দেবের সাহায্য পৌঁছে গেল। এর আগেও বহুবার নিজের মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তবে এবার যেন‌ও তাঁর সাহায্যের হাত মন ছুঁয়ে গেল নেট জনতার।

প্রসঙ্গত, রবিবার বিকেলে জনৈক নিলঞ্জিত গুইন নামে এক ব্যক্তি ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই ভিডিওতে দেখা যায় একটি ১০-১২ বছরের মেয়ে বসে রয়েছে তাঁর অসুস্থ বাবার পাশে৷ তাঁকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি গুরুতর ভাবে অসুস্থ। বাচ্চাটির নাম তিতলি। বাসিন্দা চুঁচুড়ার অন্তর বাগানের।

জানা গেছে ওই শিশুটির বাবা জটিল রোগে আক্রান্ত। নাম সন্দীপ দত্ত। প্রতিদিন ওষুধের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের প্রয়োজন খাবার। অর্থের নিদারুন অভাবে খাবার ও ওষুধের বিপুল খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি বাচ্চাটিকেও বলতে শোনা যায় সে তার বাবার মেডিকেল রিপোর্ট দেখাতেও রাজি সে। ভিডিওতে শিশুটিকে বলতে শোনা যায়, বাবা ছাড়া তার কেউ নেই। তাই বাবার যদি কিছু হয়ে গেলে অনাথ হয়ে যাবে সে। তাই বাবাকে সুস্থ করে তুলতে সাহায্য চাইছে।

নিলঞ্জিত নামে ওই ব্যক্তি ভিডিওটি টুইটারে পোস্ট করে ট্যাগ করেন‌ @KBanerjee_AITC অর্থাৎ শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়কে। ট্যাগ করা হয়েছিল হুগলির দুই মন্ত্রী এবং আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী যিনি ওই এলাকার‌ই বাসিন্দা, আপাশের বিধানসভার বিধায়ক যথাক্রমে র‍ত্না দে নাগ, বেচারাম মান্না ও তপন দাশগুপ্তকেও। কিন্তু ওই ভিডিওটি দেখার পর সবার প্রথমে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন সাংসদ অভিনেতা দেব। দেব ওই ভিডিও পোস্টটিকে রিট্যুইট করে লিখেছেন, “ইতিমধ্যেই তার টিম যোগাযোগ করেছে তিতলির পরিবারের সঙ্গে।” একইসঙ্গে এই ভিডিও পোস্টদাতাকে খবরটি প্রকাশ্যে আনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

প্রসঙ্গত, দেশ সহ বাংলায় করোনা পরিস্থিতিতে জটিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক মানুষ তথা পরিবারকে সাহায্য করছেন দেব। নিজের সংসদীয় এলাকা ঘাটালে ইতিমধ্যেই চালু করেছেন কোভিড পজিটিভ রোগীদের খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা। একই ব্যবস্থা চালু করেছেন কলকাতাতেও। দেবের এহেন মানসিকতার জন্য তাঁকে বাংলার সোনু সুদ‌ও বলা হয়ে থাকে। ‌

Related Articles

Back to top button