রাজ্য

মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ হাড়োয়া থানার গোপালপুরে। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল হাড়োয়া।

হাড়োয়া থানার অন্তর্গত গোপালপুরে এক আদিবাসী মহিলাকে মুখে কাপড় হাতে দড়ি বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া থানার গোপালপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্সিগিরিতে বাড়ি বছর ২৮ এর ওই বধূর। আজ ভোরবেলা থেকেই খোঁজ মিলছিল ওই তরুণী বধূর। ধর্ষিতার স্বামীর কথায়, ভোররাতে ঘুম ভাঙলে স্ত্রীকে দেখতে পাননি তিনি। এরপর অনেকবার ডাকাডাকি করেও তাঁর সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। সবাই মিলে আশেপাশের এলাকা খুঁজে দেখেন। কিন্তু পাওয়া যায়নি কোথাও। ভোরের আলো ফুটলে মেছো ভেরির কর্মীরা হাত-পা বাঁধা অচৈতন্য অবস্থায় এক বধূকে পড়ে থাকতে দেখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ওই বধূর পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে রেফার করে দেন বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। এখন সেখানেই ভর্তি রয়েছেন ওই বধূ।

ওই বধুর কথায় রাতে তাঁদের বাড়ির পাশে বোমা ফাটায় ওই দুষ্কৃতীরা। বোমার আওয়াজে তিনি বেরিয়ে এলে তখনই তাকে জোর করে মুখে কাপড় হাতে দড়ি বেঁধে মারতে মারতে ওই ভেড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই চারজনের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তরা সবাই কাছাকাছি গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে অভিযুক্তরা সবাই পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গেছে, একসময় নির্যাতিতার স্বামী এই মেছো ভেরির কর্মী ছিলেন। তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন।

দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনও এলাকা থমথমে।

debangon chakraborty

Related Articles

Back to top button