রাজ্য

‘আমার ভোটটা কে দিল’, ভোট দিতে গিয়ে মহিলা জানলেন তাঁর ভোট হয়ে গিয়েছে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ দমদম-শিলিগুড়িতে

আজ রাজ্যের ছয়টি ওয়ার্ডে চলছে উপ পুরনির্বাচন। আর অন্যদিকে পাহাড়ে চলছে জিটিএ নির্বাচন। এদিন ভোট শুরুর থেকেই নানান প্রান্তে নানান ছবি ধরা পড়ে। প্রথমের দিকে ভোট সুষ্ঠুভাবে হলেও বেলা গড়াতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানান জায়গা থেকে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে।

দমদম পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। অভিযোগ, সেখানে তৃণমূলের তরফে সাধারণ মানুষের ভোট দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ চাঞ্চল্য ছড়ায় ওই ওয়ার্ডের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে। এই একই ধরণের অভিযোগ উঠল শিলিগুড়িতে জিটিএ নির্বাচনেও।

বিরোধীরা দাবী করেন যে দমদম পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সকাল থেকে শান্তিতে ভোট হলেও, বেলা গড়াতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে। এই প্রসঙ্গে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমি ভেবেছিলাম সকাল সকাল ভোট দিয়ে চলে যাব। রবিবার বলে কথা। কিন্তু, বুথে গেলে বলা হয় আপনার ভোট হয়ে গিয়েছে। এটা কেমন করে হল? আমি তো এই সবে এলাম তাহলে আমার ভোট কে দিল”।

অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমি নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছি। তবে আমি শুনলাম যে একজন ভোট দিতে এসে জানতে পারেন যে তাঁর ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। বামেরা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছে”। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর কথায়, “এই বুথে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। মানুষ ভোট দিচ্ছেন। কোনও রকম কোনও দুর্নীতি হচ্ছে না”।

এই একই ধরনের অভিযোগ উটে এসেছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচনেও। ভোটাররা ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন যে তাঁদের ভোট আগে থেকেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে, এমনই অভিযোগ উঠেছে। একথা ঘটনা সামনে আসতেই চটহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৭/৩৩ নম্বর বুথে বেশ চাঞ্চল্য ছড়ায়। জানা গিয়েছে, অনিমা টিগ্গা নামে এক মহিলা ভোট দিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর ভোট নাকি হয়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে, আজ সকালে ভোট শুরুর পরই ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠে আসে ভাটপাড়ার ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। সেখানে বিজেপি ও সিপিএম অভিযোগ তোলে যে তৃণমূল নাকি ভোটে কারচুপি করছে ওই ওয়ার্ডে। ভোটার কার্ড না থাকা সত্ত্বেও দেদার চলছে ভোটগ্রহণ।

Related Articles

Back to top button