রাজ্য

জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি মানুষের পাশে দাঁড়াতে না পারি তাহলে ইস্তফা দেওয়া উচিত! দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ অর্জুনের

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বাংলায় প্রত্যাবর্তন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে হিংসা। বিজেপি, সিপিএম দল নির্বিশেষে তৃণমূল কর্মী- সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন বিরোধীরা।

রাজ্য বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ গতকালই অভিযোগ করে বলেছিলেন, বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা না পেরতেই ৫জন বিজেপি কর্মী ইতিমধ্যেই খুন হয়েছেন। রাজ্যপালের কাছে এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য জানিয়ে আসেন দিলীপ ঘোষ। গতকাল রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে হয়তো এই বিষয়ে পর্যালোচনাও হয়েছে।

আরও পড়ুন- ভোট ফলাফল পরবর্তী হিংসার শিকার বিজেপি কর্মী-সমর্থক, প্রতিবাদে ধর্নায় গেরুয়া শিবির, ফের রাজ্যে নাড্ডা

তবে এবার দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেল বিজেপির দাপুটে নেতা অর্জুন সিং-কে। বললেন, আমরা জনপ্রতিনিধিরা যদি মানুষের পাশে দাঁড়াতেই না পারি তাহলে আমাদের ইস্তফা দিয়ে দেওয়া উচিত।

তৃণমূল  রাজ্য রাজনীতির ক্ষমতায় ফিরে আসার পর জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের উপরে হামলা ও শ্যামনগরে এক বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে এনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন অর্জুন l

আরও পড়ুন-ফের কি তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন শোভন-বৈশাখীর? জুটির গলায় দরাজ প্রশংসা মমতার

নিজের বক্তব্যে রাজ্য বিজেপির এই শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, রাজ্যজুড়ে বিজেপি সমর্থকরা মারা যাচ্ছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন দিকে হিংসা। আমাদের দলে ১৮ জন সাংসদ রয়েছেন। হাতে ৭৭ জন বিধায়ক। এই অবস্থাতেও আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছি না। আমার ব্যক্তিগত মতামত, সাধারণ মানুষকে যদি আমরা নিরাপত্তাই না দিতে পারি তাহলে আমাদের জনপ্রতিনিধিদের উচিত ইস্তফা দিয়ে দেওয়া। এরাজ্যে গণতন্ত্র নেই। চারদিকে সন্ত্রাস চলছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একপ্রকার অর্জুনের গড় শ্যামনগরে গতকাল তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় এক বৃদ্ধার। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই জগবন্ধু দাস ও কৃষ্ণা দাস নামে ২ তৃণমূল কর্মীকে  আটক করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button