রাজ্য

Covid-19: করোনা ঠেকাতে রাজ্যে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার! নববর্ষে কোন‌ও বড় অনুষ্ঠান নয়

রোজ নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙছে করোনা ভাইরাস। মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত দিশেহারা দশা ভারতের। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নয়া পরিসংখ্যান বলছে, নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯১২। এর মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১২ লক্ষ পেরিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে ৯০৪ জনের। সুস্থতার হার তুলনায় অনেক কম। একদিনে করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন ৭৫ হাজার ৮৬ জন।

দৈনিক করোনা সংক্রমণ লক্ষ পেরিয়েছিল গত সপ্তাহেই। এবার তা এগোচ্ছে ২ লক্ষের দিকে। জোড়া প্রতিষেধক দিয়ে গণটিকাকরণের পরও কিছুতেই লাগাম পরানো যাচ্ছে না তাতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে ইতিমধ্যে ১০ কোটি ৪৫ লক্ষের বেশি দেশবাসী করোনার টিকা পেয়েছেন।  কিন্তু তা সত্ত্বেও মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কতটাই বা এগোতে পারছে ভারত? এই প্রশ্ন উঠছে।  দেশে এই মুহূর্তে যে ক’টি করোনা টিকা কাজ করছে, তাতে যুক্ত হতে চলেছে রাশিয়ার স্পুটনিক ভি (Sputnik V)।  জরুরি পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ রেমডেসিভির রপ্তানি বন্ধ করেছে কেন্দ্র।

একাধিক রাজ্যে হচ্ছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে দেশের পাঁচ রাজ্যে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। সবচেয়ে বেশি দফায় নির্বাচন হচ্ছে বাংলায়। সভা, সমিতি, মিটিং,  মিছিলের সংখ্যাও বাংলাতেই বেশি। এই পরিস্থিতিতে করোনা ছড়ানোর এবং তাতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা রীতিমত ভয় ধরাচ্ছে বঙ্গবাসীর। আর তাই এবার করোনা প্রতিরোধে নতুন সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

রাজ্যে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ রাজ্যের সব জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১লা বৈশাখ অর্থাৎ নববর্ষে কোন বড় অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হবে না। করোনা পরিস্থিতিতে মাথায় রেখে হাসপাতাল গুলিকে ২০% বেশি ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button