সব খবর সবার আগে।

বাংলাকে স্বাভাবিক করতে এবার সেনার সাহায্য চাইছে রাজ্য, সঙ্গে আহবান রেল ও পোর্টকেও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

বুধবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা সাক্ষী থাকল এক মহাপ্রলয়ের। যার নাম আমফান। প্রায় ১৮৫কিমি প্রতি ঘন্টার গতিবেগে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে আছড়ে পড়ে এই ঝড়। আজ ৭২ ঘণ্টার থেকেও বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে৷ তবুও রাজ্য যেন এক বিশাল ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই অবস্হায় রাজ্যকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে, এবার সেনার সাহায্য চাইল রাজ্য সরকার ৷

কোথাও উড়ছে বাড়ির চাল, কোথাও বা ধসে পড়েছে দেওয়াল, কোথাও ভেঙেছে নদীর বাঁধ, কোথাও উপড়েছে গাছ, ইলেক্ট্রিক খুঁটি। এই অবস্থায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া জেলাগুলি এখন শুধুই ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান গুণছে। বেশিরভাগ জেলাতে এখন কোনো বৈদ্যুতিক সংযোগ নেই, যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই এমনকি জল পর্যন্ত নেই। লকডাউনের মরশুমে লোকসংখ্যা এমনিতেই কম। পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরগুলোও এখন বন্ধ রয়েছে। যার জেরে এই বিপুল ক্ষতিকে পূরণ করতে লোকসংখ্যারও বড্ড অভাব দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় রাজ্যকে স্বাভাবিক করে তুলতে এবার সেনাবাহিনীর সাহায্য প্রার্থনা করল রাজ্য সরকার ৷ শনিবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে ট্যুইট করে NDRF এবং SDRF এর সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও রেল ,পোর্ট এবং বিভিন্ন প্রাইভেট সেক্টরগুলিকেও এগিয়ে আসতে আহবান জানানো হয়েছে ৷ বিভিন্ন দফতর থেকে কর্মী ও জিনিসপত্র পাঠানোর আবেদন জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র দফতর ৷

একটা গোটা শতাব্দীতে এমন বিপর্যয়ের কথা কল্পনাতেও ভাবেনি বাংলার মানুষ। যেখানে একটা গোটা রাজ্য তার নিজস্ব ছন্দ ভুলে অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।প্রতি ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটারের সেই বিধ্বংসী আমফান তিন ঘণ্টায় ৭টি জেলাকে গোগ্রাসে গিলে ফেলেছে। এখনো অবধি রাজ্যে ৮৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরপর সম্পূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত হলে মৃত্যুর সংখ্যা হয়তো আরো বাড়বে। আর সঙ্গে বাড়বে ক্ষতির পরিমাণও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.