সব খবর সবার আগে।

কে প্রকৃত খুনি? কে মেরেছে আমার ছেলেকে? উৎসবের দিনে‌ প্রশ্ন গুরুং বাহিনীর হাতে মৃত পুলিশ অফিসার অমিতাভ মালিকের বাবার

খোদ কলকাতায় এসেছেন বিমল গুরুং (Bimal Gurung)। তার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কলকাতা পুলিশ তার গায়ে হাত পর্যন্ত দিল না। কলকাতায় এসেই মমতা সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে বিজেপির বিরুদ্ধে হুংকার দিলেন বিমল গুরুং। ১৩ অক্টোবর ২০১৭ এই দিনটা ভোলবার নয়। এক পুলিশ অফিসার এর মৃত্যুতে কেঁদেছিল বাংলা।

বিমল গুরুংদের রক্তাক্ত–অগ্নিগর্ভ আন্দোলনে জ্বলন্ত পাহাড়কে শান্ত করতে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তরুণ পুলিশ অফিসার অমিতাভ মালিক (Amitabha Malik)। গুরং–বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান তিনি। মাত্র সাত মাস বিয়ে হয়েছিল তার। ভেঙে চৌচির হয়ে যায় একটা পরিবার। এই ঘটনার পর থেকেই বঙ্গ রাজনীতির মানচিত্রে তেমন ভাবে দেখা যায়নি বিমল গুরুং কে। তারপর হঠাৎ এই আগমন। কিন্তু পুলিশ রইল নির্বাক। আবার‌ও তিক্ততা ভুলে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরছেন বিমল গুরুং। পাহাড়ি রাজনীতির এই বিতর্কিত চরিত্রকে গ্রেফতার না করে মালিক পরিবারের সঙ্গে এক প্রকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করল রাজ্য সরকার (west bengal government)। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কি বলছে অমিতাভ মালিকের পরিবার?

কলকাতার বুকে দাঁড়িয়ে এই কথা শুনে অমিতাভের বাবা মধ্যমগ্রামের পাটুলির শরৎকাননের বাসিন্দা সৌমেন মালিকের প্রশ্ন, ‘তা হলে প্রকৃত খুনি কে? কে মেরেছে আমার ছেলেকে?’ আজ তাঁরা আর ছেলের শোক নিয়ে বেঁচে থাকতে চান না। তাই দুঃখ করে চোখের জল ফেলতে ফেলতে এইটুকুই বলেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে আন্দোলনের চরম পর্যায়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল দার্জিলিং পাহাড়। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে। আত্মগোপন করেছিলেন বিমল গুরুং। ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর দার্জিলিংয়ের রঙ্গিত নদীর তীরবর্তী সিংলার জঙ্গলে সিরুবাড়ি এলাকায় গুরুংয়ের খোঁজে গিয়েছিল পুলিশ বাহিনী। সেই দলে ছিলেন অমিতাভ মালিক। গুরুংয়ের অনুগত বাহিনী আক্রমণ করে পুলিশকে। তাদের গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছিলেন অমিতাভ।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...