সব খবর সবার আগে।

করোনার বিরুদ্ধে বিকল্প হাতিয়ারের নাম ‘হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন’, কিন্তু এতে কী আছে জানতে বিস্তারিত পড়ুন

এই মাসের শুরুতেই সারা বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। এই মুহূর্তে প্রতিষেধকের দেখা মেলাও ভার। বিশেষজ্ঞদের মতে ওষুধ পেতে এখনও বাকি বছর দেড়েক। তাই এই মুহূর্তে করোনার উপযুক্ত ওষুধ হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছেন চিকিৎসকরা। সম্প্রতি করোনার চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাসোসিয়েশন। এই ওষুধটি সাধারণত ম্যালেরিয়া সংক্রমনের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন – দুটিই কুইনিন থেকে তৈরি।

১৯৩৪ এ জার্মান গবেষকরা সিন্থেটিক ক্লোরোকুইন তৈরি করেন। ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবেই এর ব্যবহার হত। এরই কম টক্সিক ভার্সন হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন।

এটি প্রথম পেরু থেকে আমদানি করা হয়। আগে পেশির আরামের জন্য ব্যবহার হত। এর সঙ্গেই সিঙ্কোনা গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে, তার সঙ্গে মিষ্টি জল দিয়ে তৈরি হত এক জাতীয় টনিক।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ক্লোরোকুইনেরই কম টক্সিক ভার্সন। এই ওষুধ লুপাস ও আর্থারাইটিস রোগীদের উপর ব্যবহার করা হয়। ইদানিং করোনা চিকিৎসায় এর প্রয়োগে ইতিবাচক ফল মিলেছে বলে দাবি করছেন চিকিৎসকরা।

প্রথমে এই ড্রাগটি করোনার প্রতিষেধক হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। তারপর এর ইতিবাচক প্রভাব দেখে করোনা রোগীদের উপর হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আগেই বাজারে ঘাটতি আটকাতে এই ওষুধ বিদেশে রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। কিন্তু বর্তমানে আমেরিকা ভারতের থেকে এই ওষুধ চেয়েছে এবং সেখানে ভারত তাদের সাহায্য না করলে পাল্টা ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না আমেরিকা, এমনও ইঙ্গিত দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে ভারত জানায়, করোনা আক্রান্ত দেশগুলোতে নির্দিষ্ট পরিমাণ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন রপ্তানি করা হবে।

You might also like
Leave a Comment