সব খবর সবার আগে।

আজ কৌশিকী অমাবস্যাতে ভুলেও করবেন না এই কাজগুলি, জেনে নিন জ্যোতিষীর পরামর্শ

আজ ও আগামীকাল কৌশিকী অমাবস্যা। ভাদ্র মাসের শেষের এই অমাবস্যা তন্ত্রসাধকদের সাধনার অন্যতম দিন। এই তন্ত্র সাধনার মধ্যেই তারাপীঠ মন্দিরের বুকে জেগে ওঠে নানা পৌরাণিক কাহিনী। হিন্দু শাস্ত্র মতে কৌশিকী রূপে মা তারা এই দিনের বিশেষ সন্ধিক্ষণে শুম্ভ নিশুম্ভ নামক অসুরকে দমন করেন।

তবে বিশেষ এই দিনে কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হয়। নাহলে জীবনে নেমে আসে ঘোর বিপদ।পবিত্র এই দিনে আমিষ ভোজন একেবারেই করা উচিত না। বলা হয় ওই দিকে আমিষ ভোজন করলে শরীরের মধ্যেই নেগেটিভ শক্তির উত্থান ঘটে।তাই অবশ্যই নিরামিষ খাবার খাওয়া উচিত।

পবিত্র এই অমাবস্যার রাত খুবই ভয়ানক। একটু ভুল, জীবনে অন্ধকার নেমে আসবে।কৌশিকী অমাবস্যার রাতে বাড়ি থেকে দূরে যাওয়া একেবারেই কাম্য না।এমনকি হঠাৎ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া ঠিক না। শাস্ত্র বিদদের মতে এই দিন পরিবেশে প্রচুর পরিমাণে অশুভ শক্তির সূচনা ঘটে। যার প্রভাব পড়তে পারে শরীরে।

যদি একান্তই বেরোতে হয় তবে অবশ্যই নিজের কাছে তুলসী পাতা অবশ্যই নিজের কাছে রাখুন। শাস্ত্রমতে তুলসী পাতা অমাবস্যার দিন তুলতে নেই। তাই আগে থেকেই বাড়িতে রাখুন।গর্ভবতী মহিলারা কোনোভাবেই সেদিন বাড়ি থেকে বেরোনো উচিত না।

তবে বিশেষ কিছু কাজ আপনার জীবনে সুদিনের দরজা খুলে দিতে পারে।কৌশিকী অমাবস্যার রাতে মা তারার পায়ে ভক্তি ভরে রক্ত জবা ও সিঁদুর নিবেদন করলে জীবনে সুপ্রভাব পড়বে।পাশাপাশি মনে করা হয় বাড়ির সদর দরজার সামনে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখলে তার প্রভাব সুদুরপ্রসারী।

তারাপীঠ মন্দিরের বিভিন্ন প্রান্তে এবং অন্যান্য শ্মশানে তন্ত্র সাধনা করা হয়।শোনা যায়,এই তন্ত্রসাধনার রীতি বৌদ্ধ মতে প্রচলিত ছিল।পরে শাক্তদের মধ্যে এই উপাসনা শুরু হয়।ভক্তরা এই রাতকে তারা রাত বলে থাকেন।মাকে পূজো দিয়ে সন্তুষ্ট করলে মা মনের ইচ্ছা পূরণ করেন।

You might also like
Comments
Loading...