সব খবর সবার আগে।

পৃথিবীর নাকের ডগায় ব্ল্যাক হোল! টেনে নিচ্ছে সূর্যের থেকেও পাঁচগুন ওজনের নক্ষত্রের আলো! কি বলছেন বিজ্ঞানীরা!

ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন এক বিস্ময় যার সামনে অবাক হওয়া ছাড়া আর বিশেষ কিছু করার থাকেনা। সম্প্রতি পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব মাত্র এক হাজার আলোকবর্ষ। কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিচারে পৃথিবী থেকে এই আলোকবর্ষ দূরত্ব খুবই কম বলা চলে। বুধবার ইউরোপিয়ান সাদার্ন অবজারভেটারির বিজ্ঞানী থোমাস রিভিনিয়াস একটি গবেষণা পত্রে এই দাবি করেছেন।

এর আগে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম ব্ল্যাক হোলটি ছিল ৩২০০ আলোকবর্ষ দূরে। ফলে বর্তমানে এটিই পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল। কিন্তু মুশকিল হল, ব্ল্যাক হোলের বা কৃষ্ণগহ্বরের আকর্ষণ ক্ষমতা এতই বেশি যে এটি থেকে আলো ঠিকরে বেরোতে পারে না। সে কারণে প্রতিফলিত রশ্মির সাহায্যে এটিকে দেখতে পাই না আমরা। মহাকাশে তাই এই ব্ল্যাক হোলটি খুঁজে বের করা একান্ত অসম্ভব।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, বেশিরভাগ ব্ল্যাক হোলের আশেপাশেই আর তাঁর ভিতরে টেনে নেওয়ার মতো কিছু নেই। তাই এঁদের খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব। বিজ্ঞানীরা এটিকে খুঁজে বের করতে পেরেছেন কারণ, এটির চারিদিকে তিনটি নক্ষত্র বা তারা মিটমিট করছে, বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘নৃত্যরত তারা।’ সেগুলির গতিবিধি যেন মানু্ষের নাচের মতো, অনেকটা ব্যালে ডান্সের মতো। এই অপরূপ মহাজাগতিক দৃশ্য তাঁরা প্রত্যক্ষ করেছেন।

চিলিতে একটি টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তাঁরা দেখেছেন, সূর্যের থেকে চার–পাঁচ গুন বড় একটি নক্ষত্রকে একটি অজানা কালো বিন্দু ক্রমশ নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে। তাই তাঁরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এই জিনিস ব্ল্যাক হোল ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।

Leave a Comment