সব খবর সবার আগে।

আজ হনুমান জয়ন্তী! জেনে নিন এই বিশেষ দিনের তাৎপর্য ও আচার বিধি

চলতি বছরে ২৭শে এপ্রিল অর্থাৎ আজ হচ্ছে হনুমান জয়ন্তী। প্রভু হনুমানের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। হনুমান ছিলেন প্রভু রামের সবচেয়ে বড় ভক্ত। প্রত্যেক বছর নানান জায়গায় বেশ জাঁকজমক করেই এই দিনটি পালিত হয়। কিন্তু এই বছর করোনা ভাইরাসের কারণে নানান জায়গায় লকডাউন থাকায়, সকল ভক্ত নিজের নিজের বাড়িতেই এই দিনটি পালন করবেন।

হিন্দি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রত্যেক বছর চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চাদশ দিনের দিন হনুমান জয়ন্তী পালন করা হয়। এই দিনটিকে চৈত্র পূর্ণিমাও বলা হয়।

ঋষি বাল্মীকির উত্তরা খণ্ড অনুযায়ী, আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ ৫৯ হাজার বছর আগে ত্রেতা যুগে প্রভু হনুমানের আবির্ভাব ঘটে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, অঞ্জনার পুত্র হলেন হনুমান। অঞ্জনা ছিলেন বানর দলের প্রধান বনরাজ কেশরীর স্ত্রী। মুনি বিশ্বামিত্রের ধ্যানে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য তিনি অঞ্জনাকে অভিশাপ দেন।

এরপর অঞ্জনা দেবাতিদেব মহাদেবের আরাধনা করেন। অঞ্জনা তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন তিনি নিজে যেন তাঁর সন্তানের অংশ হিসেবে তাঁর গর্ভে আসেন। এই কারণে বিশ্বাস করা হয় যে, হনুমান মহাদেবেরই অংশ। আবার অনেকে এও বলেন যে, প্রভু হনুমান বায়ুদেবের পুত্র।

এ বছর হনুমান জয়ন্তীর দিন ও সময়

এ বছর ২৭শে এপ্রিল পড়েছে হনুমান জয়ন্তী। এই বিশেষ দিনের শুভ সময় শুরু হয়েছে ২৬শে এপ্রিল রাত ১২টা ৪৪ মিনিটে এবং তা শেষ হবে, আজ, মঙ্গলবার রাত ৯টা বেজে ১ মিনিটে।

হনুমান জয়ন্তী পুজোর আচার বিধি

  • এদিন সকাল সকাল স্নান সেরে নেওয়া অতি আবশ্যক। স্নান সেরে পরিস্কার জামাকাপড় পরুন।
  • গেরুয়া সিঁদুর, গাঁদা ফুল ও হনুমানজিকে লাল কাপড় পরিয়ে পুজো করুন।
  • প্রসাদ হিসেবে হনুমানজির প্রিয় মিষ্টি বেসনের লাড্ডু ও মোতিচুরের লাড্ডু উৎসর্গ করুন।
  • পুজো শেষে হনুমান চল্লিশা পড়ুন ও ভক্তি ভরে আরতি করুন।

ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে প্রভু হনুমান তাদের সমস্ত কঠিন বাধা, সমস্যা দূর করবেন। প্রভু হনুমানকেও নিজের জীবনে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। তিনি নিজেও বহুবার বহু সমস্যায় পড়েছেন এবং সেখান থেকে নিজেই উদ্ধার পেয়েছেন।

You might also like
Comments
Loading...