খেলা

দেশের লজ্জা! এক সময় ছিলেন ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য আর এখন সেই খেলোয়াড় ভালাজি ডোমোর মাঠে ঘাটে গরু মোষ চড়িয়ে দিন যাপন করেন!

ভারতের মানুষের কাছে খেলার নাম উঠলেই প্রথমে আসে ক্রিকেট। এদেশে যেমন ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা তেমনি ক্রিকেটারদের রয়েছে অগাধ উপার্জন। এই দেশে ক্রিকেট খেলেই সে কিছুদিনের মধ্যেই লাখপতি। কিন্তু আজ এমন একজন ক্রিকেটারের কথা বলব যিনি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলেও আজ মাঠে-ঘাটে চরাচ্ছেন গরু-মোষ।

অনেক চেষ্টা করেও এই ক্রিকেটার একটা চাকরিও যোগাযোগ করতে পারেননি। তাই আজকাল মাঠে গরু মোষ চড়িয়ে নিজের দিন কাটান। পরিবারসহ একটি ছোট বাড়িতে থাকেন। বাড়িতে শোয়ার জন্য একটি চৌকিও নেই। বহু সংবাদমাধ্যম তাকে নিয়ে লেখালেখি তো করেছেন কিন্তু তার অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি। বহু প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন কিন্তু অবশেষে কেউই কাজে ডাকেনি।

ভালাজি ডোমোর তিনি এদেশে দৃষ্টিহীনদের ক্রিকেট খেলতেন।১৯৯৮ সালে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। বলা চলে ১৯৯৮সালের বিশ্বকাপে তিনি একজন স্টার প্লেয়ার ছিলেন। ১২৫ ম্যাচে ৩১২৫ রান করেছেন তিনি। ১৫০টি উইকেটও নিয়েছেন। ভালাজি ডোমোর ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন। এমনকি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কে. আর নারায়ণনের হাত থেকে পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু এত বড় একজন খেলোয়াড় হয়েও তার পরিণতি দেখে বোঝা যায় যে এদেশে সাধারণ ক্রিকেটারদের জন্য অনেক নাম, জশ, খ্যাতি থাকলেও। দৃষ্টিহীনদের ক্রিকেট যারা খেলে তাদেরকে মানুষ চেনেও না আর তাদের আর্থিক সংকটও দূর হয় না। সে যতই দেশের নাম উজ্জ্বল করে থাকুক না কেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে।

Related Articles

Back to top button