সব খবর সবার আগে।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সামনে সমর্থকদের বিক্ষোভ, হাতাহাতি, পুলিশের সঙ্গে বচসা, লাঠিচার্জ

বিক্ষোভ-বচসা, এরপর হাতাহাতি। দুই বিক্ষোভকারী দলকে বাগে আনতে চলল পুলিশের লাঠিচার্জ। এর জেরে পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবেরই দুই সমর্থকগোষ্ঠীর বিবাদের জেরে বেশ ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একদলের দাবী, ইনভেস্টরের চুক্তিপত্রে লাল-হলুদ কর্তাদের দ্রুত সই করা উচিত যাতে আইএসএল খেলার পথ সুগম হয়।

অন্যদিকে, অন্য একদল সমর্থকদের দাবী, ইনভেস্টরের পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করলে ক্লাবের স্বার্থে আঘাত লাগবে। তাদের কথায় “ক্লাব বেচে দেওয়া যাবে না ইনভেস্টরদের”। আর দুই দলের বিবাদেই রণক্ষেত্র চেহারা নেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সামনের এলাকা।

কিছুদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে ক্লাবের কর্তারা সিদ্ধান্ত নেন যে ইনভেস্টরের চুক্তিপত্রে তারা সই না করবেন না। গত কয়েকমাস ধরেই ইনভেস্টরদের সঙ্গে কর্তাদের বিবাদ চলছিল। চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে এই বিবাদ চলছিল। এর জেরেই ক্লাবকর্তাদের চুক্তিতে সই না করার জেরে ইনভেস্টরদের পিছিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই একদল ইস্টবেঙ্গল সমর্থক প্রবল ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

তারা দাবী করে, “মালিকানা আগলে রেখে ক্লাবের আইএসএল খেলাকে বিপাকে ফেলছেন কর্তারা”। এদিন সেই দাবীতেই তারা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচি নেন। এই খবর পেয়ে পরে সেখানে হাজির হন কর্তাদের যুক্তির পক্ষে ও ইনভেস্টরদের চুক্তির বিপক্ষে থাকা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরাও।

দু-পক্ষের এমন ভিড় জমা শুরু হতে দেখেই পুলিশের তরফে জানানো হয় যে, করোনা কোভিড পরিস্থিতিতে এই ধরণের বিক্ষোভ করা যাবে না। এরপর পুলিশের সঙ্গেও একপ্রস্থ বিবাদে জড়ান সমর্থকরা। এরপরই দুই পক্ষের বিক্ষোভ চরমে ওঠে। এই পরিস্থিতি সামলাতে রীতিমতো লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। এরপর ঘটনাস্থলে হাজির হন ডিসি সাউথ। প্রায় দু’ঘণ্টা বিক্ষোভের পর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। এরপর পুলিশি পদক্ষেপে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।

You might also like
Comments
Loading...