সব খবর সবার আগে।

নেতাজি ইন্ডোরে আইলিগ জয়ী সবুজ মেরুনের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

সবুজ মেরুন

বাঙালি আর ফুটবল সেই প্রাচীন ইতিহাসে দুই অনবদ্য জুটি। আর টুর্নামেন্ট-এর নাম যদি হয় আই লীগ তাহলে তার উন্মাদনাও হয় চরম। ডার্বির আগেই আইলিগ জিতে নিল মোহনবাগান। হোলির দিনই সবুজ-মেরুন রঙে মেতে উঠল কল্যাণী। জাতীয় লিগ ও আইলিগ যোগ করলে মোহনবাগান চ্যাম্পিয়ন হল এই নিয়ে পাচঁ পাঁচবার।

ডেম্পোর রেকর্ডও যখন ছুঁয়ে ফেলল মোহনবাগান তখন তার জয়ধ্বনি তো কলকাতা শহরের বুকে ধ্বনিত হতেই হবে। এর আগে আইপিএল জেতার পরেও কলকাতা নাইট রাইডার্সকেও সংবর্ধিত করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন খেলাও হয়েছিল বেশ উদ্বেগপূর্ন। প্রথমার্ধে গোলশূন্য ফলেই ড্রেসিংরুমে যায় মোহনবাগান এবং আইজল এফসি। ফলে দর্শকদের মনে বিষণ্নতার সৃষ্টি হয়। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। ৫৪ মিনিটের মাথায় বাবার গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। তার পরের মিনিটেই আইজলের আক্রমণে মোহনবাগান ডিফেন্সে চাপ সৃষ্টি হয়। কিন্তু কোনও রকমে সেই গোল আটকায় বাগান ডিফেন্স।

৭৯ মিনিটের মাথায় আনন্দের ঝড় তোলেন পাপা বাবাকার দিওয়ারা কল্যাণীর ১৭ হাজার সবুজ-মেরুন দর্শকের মনে । বেইতিয়ার পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে আইজল গোলকিপারকে দাঁড় করিয়ে রেখে গোল করেন বাবা। আর এই প্রথম গোলেই উচ্ছাসে ফেটে পড়ে আপামর সবুজ মেরুন। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে গেল মোহনবাগান।

বাকি সময়েও কিছু সুযোগ আসে মোহনবাগানের কাছে কিন্তু গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানেই ম্যাচ জিতে আইলিগ জিতে নেয় মোহনবাগান।

এই অভুতপূর্ব জয়ের জন্য ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতর থেকে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আগামী ১৩ই মার্চ। আই লিগ জেতার জন্য মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সংবর্ধনা দেবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। দফতরের পক্ষ থেকে সে কথা আগেই জানানো হয়েছে মোহনবাগান ক্লাবকেও।

ওইদিন বেলা ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও অনুষ্ঠানে থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আশা করা যায় আইপিলের সম্মাননা অনুষ্ঠানের মতো এই অনুষ্ঠানেও দর্শকদের ভিড় হবে উপচে পড়ার মতো। সবুজ মেরুন তরী সেদিন ভেসে যাবে জন জোয়ারে।

Leave a Comment