সব খবর সবার আগে।

লিগে বিদেশি কমিয়ে সুযোগ দিতে হবে ভারতীয়দের, ফেডারেশনকে ‘সু-পরামর্শ’ ইগর স্টিমাচের!

আইএসএলের মতো আই লিগের অনেক ক্লাবের সঙ্গেও যেহেতু বিদেশি ফুটবলারদের সঙ্গে লম্বা চুক্তি রয়েছে তাই পরবর্তী মরশুম থেকে বিদেশি কমানোর ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই ফেডারেশনের। ঠিক হয়েছে, আইলিগ, আইএসএল এই দু’ক্ষেত্রেই বিদেশির সংখ্যা কমানো হবে ২০২০-২১ সালের পর থেকে। তবে বিদেশি যে কমানো হবে, শুক্রবার অভিজ্ঞ ফুটবলার শ্যাম থাপার নেতৃত্বাধীন টেকনিক্যাল কমিটি সেই প্রস্তাবই দিয়েছে ফেডারেশনকে। পাশাপাশি এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের জাতীয় কোচরাও আই লিগ এবং আইএসএলে বিদেশি ফুটবলার কমানোর প্রস্তাব দিলেন ফেডারেশন সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেলকে।

লকডাউনের পর কোন পথে এগোবে ভারতীয় ফুটবল তাই ঠিক করতে এদিন বিভিন্ন স্তরের জাতীয় কোচদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল। সেখানেই জাতীয় কোচ ইগর স্টিমাচ প্রফুল্ল প্যাটেলকে বলেন, “সুনীল ছেত্রীর পর ভারতীয় দলে সেরকম কোনও স্ট্রাইকার উঠে আসছে না। এর একটাই কারণ, আইএসএল বা আই লিগে বিদেশি ফুটবলারদের আধিক্য। সব দলই স্ট্রাইকার পজিশনে বিদেশি ফুটবলার নিচ্ছে। ভারতীয় স্ট্রাইকাররা থাকছে বেঞ্চে। যখন জাতীয় দল তৈরি হচ্ছে, তখন ভাল স্ট্রাইকার পাওয়া যাচ্ছে না। জাতীয় দলের জন্যই ভারতীয় লিগে বিদেশি ফুটবলার কমানো উচিত।” স্টিমাচের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন প্রফুল্ল প্যাটেলও। এদিকে, এদিনই আবার টেকনিক্যাল কমিটির মিটিংয়ে শ্যাম থাপা সহ অন্যান্য সদস্যরাও ৬ জন বিদেশি কমিয়ে ৪ জন করার প্রস্তাব দেন। তিনজন খেলবেন। একজন বাইরে থাকবেন। টেকনিক্যাল কমিটি এবং জাতীয় কোচদের প্রস্তাব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটি।

তবে, এই প্রস্তাবে ক্লাবগুলো রাজি হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সবাই। বিশেষ করে আইএসএলের ক্লাবগুলি। কারণ, আইএসএলের জনপ্রিয়তা অনেকাংশে নির্ভর করে বিদেশি ফুটবলারদের উপর। বিদেশীর সংখ্যা কমে গেলে লিগের জনপ্রিয়তা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...